সরিষাডুলি গ্রামের পল্লী চিকিৎসক হাফিজুর রহমান (লালু ডাক্তার) জানান, গতকাল রোববার (১৯/০৯/২০২১) দুপুরে রানা ও জিহাদ দুই বন্ধু গ্রামের পাশ দিয়ে বহমান মাথাভাঙ্গা নদীতে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে রানা নদীর স্রোতে হঠাৎ তলিয়ে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ও মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দি ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা এবং খুলনা থেকে আগত একটি চৌকস ডুবুরি টিম এসে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেন। রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও সন্ধান পাইনি নিখোঁজ রানার। ফলে সোমবার সকাল থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। বিরতিহীন ভাবে বিকেল পর্যন্ত চলে তল্লাশি অভিযান। সমস্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পাওয়া যায়নি নিখোঁজ হওয়া রানার সন্ধান।

খুলনা ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের টিম লিডার শফিকুল ইসলাম জানান, নদীতে স্রোত বইছে। ফলে দুদিন ধরে তাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরো জানান, নিখোঁজ রানার সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা নদীর উপরে টহল অব্যাহত রাখবেন। নিখোঁজ রানার সন্ধান না পেয়ে পরিবারসহ এলাকায় বইছে শোকের হওয়া।