মেহেরপুরের গাংনীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পেঁয়াজের ক্ষেত নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) এ ঘটনায় গাংনী থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন বলেও জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক আলম হোসেন। পেঁয়াজের ক্ষেত বিনষ্টের কারণে তার প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আলম হোসেন গাংনী পৌর এলাকার এক নম্বর ওয়ার্ড বাঁশবাড়িয়া গ্রামের পশ্চিমপাড়ার মৃত নফর আলীর ছেলে।
অভিযোগে আলম হোসেন জানান, উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের গাঁড়াডোব পোড়াপাড়া ফিলিং স্টেশনের সামনের মাঠে দেড়বিঘা বর্গা জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করেছিলেন। ফলনও হয়েছিলো ভালোই। কিন্তু রোববার (০৮ জানুয়ারি) গভীর রাতে কে বা কারা তার পেঁয়াজের ক্ষেতে আগাছানাশক বিষ স্প্রে করে। পরে বুধবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি পেঁয়াজের ক্ষেতে গিয়ে দেখতে পান পেঁয়াজ গাছগুলো নিস্তেজ হয়ে ঢলে পড়ে বিবর্ণ হয়ে গেছে। বিষ স্প্রে এর কারণে তিন দিনের মধ্যেই গোড়ায় পঁচন ধরে পেঁয়াজ গাছ ও জমির আগাছা মরে হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে। এতে পেঁয়াজ গাছ মরে প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) গাংনী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতিও চলছে।
ভুক্তভোগী কৃষক আলম হোসেন আরো বলেন, পেঁয়াজের এই জমিটি বর্গা নেয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় একটি পক্ষের সাথে তার বিরোধ রয়েছে। ক্ষতিসাধনের লক্ষ্যে রাতের আধারে প্রতিপক্ষের লোকজনই তার পেঁয়াজের ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ করেছে। এতে তার ক্ষেতের ৮০ শতাংশ পেঁয়াজ গাছ পঁচে দুই লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও সরকারি সাহায্য ও সহযোগিতা চেয়েছেন।
এ বিষয়ে গাংনী কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, পেঁয়াজ ক্ষেত পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কেহ হয়তোবা শত্রুতা করে আগাছা নিধনের কীটনাশক প্রয়োগ করে পেঁয়াজ গাছ বিনষ্ট করেছে। এ ধরনের ঘৃণিত কাজ আদৌও কামনা করি না বলেও জানান কৃষি অফিসের ওই কৃষি কর্মকর্তা।