বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
ঘোষণা
গাংনীতে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় মূল দুই শিক্ষকসহ গ্রেফতার ৩ ইতিহাস গড়ে প্রথম জাতীয় মেরিটাইম মুটে চ্যাম্পিয়ন নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয় গাংনীতে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলায় গ্রেফতার ১ ছাদ থেকে পড়ে গাংনীতে রাজমিস্ত্রির মর্মান্তিক মৃত্যু: ধর্ম পরিবর্তনের পর মোমিনুর নাম নিয়েছিলেন মিলন একটি শোক সংবাদ গাংনীতে নকলের ভিডিও করায় সাংবাদিকদের পিটুনি, থানায় মামলা মেহেরপুরে বাসায় ঢুকে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে জখম, ১ জনের হাত বিচ্ছিন্ন পুলিশের অভিযানে ৭ মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি ‘বোমা হোসেন’ গ্রেফতার, ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার মেহেরপুরে মাংসের নছিমন ও ইজিবাইক সংঘর্ষ, প্রাণ গেল নারীর মুজিবনগরে ডিবি পুলিশের অভিযান: অনলাইন জুয়ার এজেন্ট শামীম গ্রেফতার

গাংনী উপজেলার বামন্দিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে অমর একুশে পিঠা উৎসব

তোফায়েল হোসেন
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৯৩৮ বার পঠিত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে অমর একুশে পিঠা উৎসব। বুধবার বিকেলে বামন্দি সবজি হাটে মেহেরপুর জেলা হেযবুত তওহীদ এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করেন। মোট ১৮ টি স্টলে দেড় শতাধিক রকমের পিঠার প্রদর্শণী করা হয়। এসময় শত শত লোকজন পিঠা উৎসবে এসে বিভিন্ন স্টলে ঘুরে ঘুরে তাদের পছন্নমত পিঠার স্বাদ নিয়েছেন। আবার অনেকেই তাদের বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের জন্য পিঠা সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। পিঠা উৎসবে মেহেরপুর জেলা হেযবুত তওহীদের সভাপতি শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হেযবুত তওহীদের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হেযবুত তওহীদের নারী বিভাগের দায়িত্বশীল রুফাইদাহ পন্নী, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলার দায়িত্বশীল সাহারুল ইসলাম, মেহেরপুর জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম সাজ্জাদ লিখন, সহ-সভাপতি অশোক কুমার বিশ্বাস, গাংনী থানা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমানসহ কৃষকলীগ নেতা পলাশ, রিন্টু, রাজিব, বামন্দি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবুল খায়ের মোল্লা, বামন্দি বাজার কমিটির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বাবুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। খুলনা বিভাগের নারী বিভাগের দায়িত্বশীল আফরোজা খাতুন ও অন্যান্য নারী নেতৃরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেন, পিঠা পুলি গ্রাম বাংলার পুরানো ঐতিহ্য। এক সময় গ্রামের মানুষ বিভিন্ন ধরনের পিঠা পুলির আয়োজন করত। এক বাড়ি পিঠা তৈরী হলে প্রতিবেশীরা সবাই খেত কিন্তু আমাদের সেই সংস্কৃতি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করতে এবং গ্রাম বাংলার পুরানো ঐতিহ্য ধরে রাখতে এমন আয়োজন অবশ্যই প্রসংশার দাবীদার।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 gangnisongbad.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
ThemesBazar-Jowfhowo