সারাদেশের ন্যায় মেহেরপুর জেলাতেও রোববার (৩০ এপ্রিল) থেকে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এসএসসি ও কারিগরি শাখায় প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র ও দাখিলের কোরআন মাজিদ তাজবিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনের পরীক্ষায় এসএসসিতে অনুপস্থিত ছিল ৯২ জন, কারিগরিতে ৫ জন ও দাখিলে ৩১ জনসহ মোট ১২৮ জন অনুপস্থিত ছিল।
সারা দেশের ন্যায় মেহেরপুরে ১৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনালসহ মোট পরীক্ষার্থী ৮ হাজার ৫শ’ ২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। তবে জেলার কোথাও কেউ বহিস্কৃত হয়নি।
পুনর্বিন্যাস সিলেবাসে এবার পরীক্ষা হবে সব বিষয়েই। ৩ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে পরীক্ষার্থীদের।
সকাল ১০টায় মাধ্যমিক বাংলা প্রথম পত্র ও দাখিলের কোরআন মাজিদ তাজবিদ পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর ১টায় শেষ হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর আধা ঘন্টা আগে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশনা রয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে থানা থেকে প্রশ্নপত্র বের করে যথাসময়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সরবরাহ করা হয়েছে।
আর পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।
করোনা কালের পরে এই প্রথম পূর্নমানে পরীক্ষা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষা শুরুর প্রায় এক ঘন্টা আগে থেকেই অভিভাবকদের সাথে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রগুলোর সামনে ভীড় করতে দেখা যায়।
তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তথ্যমতে, এবার জেলার এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল সাধারণ ৭ হাজার ৫০ জন, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬ হাজার ৯ শ’ ৫৮ জন, অনুপস্থিত ছিল ৯২ জন।
কারিগরি শাখার ৮৬৫ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮৬০ জন, অনুপস্থিত ছিল ৫ জন ও দাখিল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শ’ ৮৭ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৫ শ’ ৫৬ জন।
এসএসসিতে ১৯টি পরীক্ষা কেন্দ্রের মধ্যে ১৩টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা, কারিগরি কেন্দ্র ৪ টি ও ২টি কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেন। পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃংখলা বাহিনী ছিল। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে উপজেলায় একটি করে ভিজিলেন্স কমিটি পরীক্ষা তদারকি করেন।