শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৩১ অপরাহ্ন

মেহেরপুরে চাঁদাবাজির মামলায় তিন নারীসহ গ্রেফতার -৫

তোফায়েল হোসেন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ১১০৭ বার পঠিত

গোপন ক্যামেরায় আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগে তিন নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে মেহেরপুর ডিবি ও সদর থানা পুলিশের একটি দল। মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ভিন্ন অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময় আটককৃতদের নিকট থেকে ১৭ হাজার টাকা ও পাঁচটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।

মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটকৃতরা হলো চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ গ্রামের নাজমুল হোসেন খানের মেয়ে কথিত সাংবাদিক নাজনিন খান প্রিয়া, একই উপজেলার চারুলিয়া গ্রামের রাসেল আহমেদের মেয়ে বিলকিস রাবেয়া টুম্পা, মেহেরপুর শহরের ঘোষপাড়ার শফিকুল ইসলাম এর স্ত্রী রুমানা ইয়াসমিন, একই এলাকার দুলাল আলীর ছেলে শাহজাহান আলী ও আখের আলীর ছেলে হাসান আলী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ গ্রামের নাজমুল হোসেন খানের মেয়ে নাজনিন খান প্রিয়া মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি মানব উন্নয়ন কেন্দ্রে চাকুরীকালীন সময়ে মনোয়ার হোসেনের সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। চাকরি করাকালীন সময়ে চলতি সালের ২৩ আগস্ট নাজনীন খান প্রিয়া মনোয়ার হোসেনকে মউকের অফিসের ছাদে ডেকে নিয়ে। ঐদিন প্রিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে বেশ কিছু ছবি তোলে।

পরবর্তীতে চাকরি চুত্য হওয়ার পর প্রিয়া মনোয়ার হোসেনের সাথে আগের তোলা ছবি পত্রিকার ছাপানোসহ বিভিন্নভাবে ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। মান সম্মানের ভয়ে মনোয়ার হোসেন গত ১৯ অক্টোবর প্রিয়াকে ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন। ওই ঘটনার পর আরো টাকা দাবি করায় মনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে দঃবিঃ ৪১৭/৩৮৫/৫০৬/ পেনাল কোড একটি মামলা আদায় করেন। যার মামলার নং ৩২।

ওই মামলায় মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে মেহেরপুর সদর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে তিন নারীসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃতদের বুধবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মেহেরপুর সদর থানা ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন নাজনিন‌ খান প্রিয়া মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামের মনোয়ার হোসেনের আপত্তিকর ছবি ধারণ করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগ পাই পরে তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেই অপরদিকে বিলকিস আক্তার টুম্পাসহ চারজন চুয়াডাঙ্গা জেলার আলী হোসেনকে টুম্পার বাড়িতে আটকে রেখে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে টুম্পার বাড়ি থেকে আলী হোসেনকে উদ্ধার করা হয় ও মামলার প্রধান আসামি টুম্পাসহ চারজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 gangnisongbad.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
ThemesBazar-Jowfhowo