মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার রংমহল সীমান্ত দিয়ে নারীশিশুসহ ৮ জন বাংলাদেশীকে ঠেলে (পুশিং) দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল সাতটার দিকে গাংনী উপজেলার রংমহল সীমান্ত দিয়ে তাদেরকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দেয়া হয়।
৪৭ ব্যাটেলিয়ান কুষ্টিয়ার মিরপুরের মাধ্যমে বেলা ১১ টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
পুশব্যাক হওয়া ব্যক্তিরা হলো-
১। মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৩৫), পিতাঃ ইসাহাক মোল্লা, গ্রামঃ তেতুলিয়া, ডাকঃ তাজলি, থানাঃ কালিগঞ্জ, জেলাঃ সাতক্ষীরা।
২। মোছাঃ আবেজান (৩২), স্বামীঃ মোঃ টুটুল মোল্লা, গ্রামঃ বরগাত, পোস্টঃ সিংহা সোলপুর, থানাঃ নড়াইল, জেলাঃ নড়াইল।
৩। মোছাঃআকলিমা আক্তার (২১), পিতাঃ মোঃ মোজাম্মেল দেওয়ানজী, গ্রামঃ কান্দারচর, পোস্টঃ কান্দার চর বাজার, থানাঃ ইসলামপুর, জেলাঃ জামালপুর।
৪। মোছাঃ নাসিমা তালুকদার (২৪)(বোবা), স্বামীঃ দেব্পা সরকার, জেলাঃ খুলনা। দুইটা ছোট ছেলে আছে।
৫.মোঃ রহিম (৪)
৬.মোঃ রোহান (৩)
৭.মোঃ করে টিটু মিয়া(৪৫), পিতাঃ মৃত, ধনু মিয়া, গ্রাম-মুখী গ্রাম, পোস্ট-মুখী গ্রাম, থানা-গফরগাঁও, জেলা-ময়মনসিংহ। উক্ত ব্যক্তির মাথায় সমস্যা কথা বলতে পারে কোনরকম।
৮. মোঃ আমিনুল ইসলাম ( ৩২), পিতাঃমোঃ আব্দুল বারেক, গ্রামঃদৌলতপুর, পোস্টঃদৌলতপুর, থানাঃদৌলতপুর, জেলাঃখুলনা।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল সাতটার দিকে রংমহল সীমান্ত দিয়ে তাদেরকে ১৩৭ পিলারের ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দেওয়া হয়।
তারা সীমান্ত পার হয়ে উপজেলার রংমহল গ্রামের মাঠে অবস্থান করলে গোপন সংবাদ পেয়ে রংমহল বিওপির বিজিপি ক্যাম্পের সদস্যরা তাদেরকে আটক করে।
আটককৃতদের মধ্যে ৩ ও ৪ বছর বয়সী ২ জন শিশু ৩ জন নারী ও ৩ জন পুরুষ রয়েছে বলে জানা গেছে।
আটক বাংলাদেশী নাগরিকদের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।