মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার এলাঙ্গী ক্যাম্পপাড়ার কৃষক আশরাফুল ইসলামের মেয়ে তামিমা খাতুন (১৭) দীর্ঘদিন ধরে থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত। এই মরণব্যাধি থেকে তাকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রতি মাসেই ঢাকায় নিয়ে গিয়ে রক্ত দিতে হয়। সেই সাথে রক্ত ফিল্টারিং ও নানা ধরনের ওষুধের ব্যয় তো আছেই।
মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে ইতোমধ্যে নিজের সব জমি-জায়গা বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে গেছেন বাবা আশরাফুল ইসলাম। এখন অন্যের জমিতে চাষাবাদ করে কোনোভাবে সংসার চালান তিনি। কিন্তু তামিমার চিকিৎসার খরচ বহন করা তার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না।
প্রতি মাসে ঢাকায় যাওয়া-আসা, রক্ত ফিল্টারিং ও ওষুধের খরচ যোগ হলে ব্যয় প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। তবুও একজন অসহায় বাবা মেয়েকে বাঁচানোর জন্য শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
চোখের পানি মুছতে মুছতে তিনি বলেন
“আমি একজন হতভাগা বাবা। মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে সব জমি বিক্রি করেছি। এখন আর পারছি না। তবুও মেয়েকে বাঁচাতে লড়াই করে যাচ্ছি।”
অভাবের কারণে তার দুই ছেলেকে চালিয়ে নেওয়ায় কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। তবুও মেয়ের চিকিৎসা থামাতে চান না তিনি।
পবিত্র এই রমজান মাসে আপনার যাকাত, সদকা বা সামান্য সহযোগিতাই তামিমার জীবনে নতুন আশা এনে দিতে পারে।
আপনাদের একটু সহানুভূতি হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি কিশোরীর জীবন।
বিকাশ (ব্যক্তিগত): 01741-554664
দয়া করে পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে সহৃদয় মানুষের নজরে আসে।