শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা
গাংনীতে গম বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে কৃষকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ গাংনীতে ভুট্টা ক্ষেত থেকে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক ভিজিএফের চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে গাংনীতে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪ বোর্ডের নির্দেশে ১২ বছর পর স্বপদে পুনর্বহাল মেহেরপুর কুতুবপুরের অধ্যক্ষ সুন্নত আলী মানবিকতার হাত বাড়াল এনসিপি, গাংনীতে ইফতার ও খাদ্যসামগ্রী পেল শতাধিক পরিবার মেহেরপুর সীমান্তসংলগ্ন ধানক্ষেতে মিলল অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ গাংনীতে ভিজিএফ চাল নিয়ে জামায়াত–বিএনপির হট্টগোল, পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিল মেহেরপুরের মুজিবনগরে পাঁচ ব্যবসায়ীকে জরিমানা গাংনীতে লাল পাম উইভিলের ভয়াবহ আক্রমণ: তাল গাছ রক্ষায় বৈজ্ঞানিক টিমের জরুরি অভিযান মেহেরপুরে ভোক্তা অধিকার অভিযানে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা 

গাংনীতে আগুনে দগ্ধ শিশু পেল সরকারি সহায়তা

তোফায়েল হোসেন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৩০ বার পঠিত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের কসবা গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে ১৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনসুর রহমান। সোমবার (৪ আগষ্ট) দুপুরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে এ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৪ মার্চ ২০২৪ তারিখ সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের কসবা গ্রামে চুলা থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আট বছর বয়সী একটি শিশুর সামনের ৮% অংশ পুড়ে যায়। পরিবারের লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার শরীরের অবনতি

দেখা দিলে ২০২৪ সালের জুন মাসে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে এক মাস থাকার চিকিৎসাধীন থাকার পর শরীরের উন্নতি দেখা দিলে, ব্যবস্থাপত্র দিয়ে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। তারপর থেকে প্রতি মাসে মাসে তাকে ঢাকাতে নিয়ে চেকআপ করাতে হচ্ছে এবং ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ চলমান রয়েছে।

আগুনে দগ্ধ শিশুটির মা জানান, তার স্বামী একজন ইটভাটার শ্রমিক। সারা বছর ইটভাটার কাজ চলে না। কখনো কখনো তাকে পাখি ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতে হয়। সংসারের বোঝাতো রয়েছে তারপরেও রয়েছে মেয়ের ওষুধ কেনার চাপ। প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের কাছে ধার দেনা করে তিনি প্রায় তিন লক্ষ টাকা খরচ করে ফেলেছেন। এখনো ওষুধ চলমান রয়েছে।

আজ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা পেয়ে তিনি কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। তবে মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়ার জন্য এখনো অনেক টাকার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন আগুনে দগ্ধ শিশুটির মা। তিনি কন্যা শিশুটিকে বাঁচাতে এলাকার বিত্তবান ও আরোও সরকারি সহযোগিতার কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 gangnisongbad.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
ThemesBazar-Jowfhowo