মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা
গাংনীতে রাস্তা মেরামত করতে গিয়ে মিলল ৯৬টি শক্তিশালী মাইন: সেনাবাহিনীর বম্ব ডিসপোজাল টিম কর্তৃক নিষ্ক্রিয় গাংনীতে বিজিবির অভিযান: রংমহল সীমান্তে ১৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার গাংনীতে মাটি খুঁড়তেই মিলল ১০টি ল্যান্ডমাইন! এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য গাংনীতে টানা বর্ষণে জনজীবন স্থবির: জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে খেটে খাওয়া মানুষ গাংনীর সীমান্তে পুলিশের ব্লকরেইড: ৫ কেজি গাঁজাসহ আটক ৫ কৃষিতে উৎপাদন বাড়াতে মেহেরপুরে কৃষকদের মাঝে স্প্রে মেশিন বিতরণ করলেন মিল্টন গাংনীতে ফুটবল খেলার মাঠে তরুণ ফুটবলারের হঠাৎ মৃত্যু মেহেরপুর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে মানবববন্ধন মেহেরপুরে আতঙ্ক ছড়াতে বাড়ির সামনে ‘বোমা সদৃশ বস্তু’ তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গাংনীতে সাইকেল চুরির অপবাদে কুপিয়ে ভাতিজাকে হত্যা: কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক চাচা আটক

গাংনীতে আগুনে দগ্ধ শিশু পেল সরকারি সহায়তা

তোফায়েল হোসেন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭৫১ বার পঠিত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের কসবা গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে ১৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনসুর রহমান। সোমবার (৪ আগষ্ট) দুপুরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে এ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৪ মার্চ ২০২৪ তারিখ সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের কসবা গ্রামে চুলা থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আট বছর বয়সী একটি শিশুর সামনের ৮% অংশ পুড়ে যায়। পরিবারের লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার শরীরের অবনতি

দেখা দিলে ২০২৪ সালের জুন মাসে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে এক মাস থাকার চিকিৎসাধীন থাকার পর শরীরের উন্নতি দেখা দিলে, ব্যবস্থাপত্র দিয়ে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। তারপর থেকে প্রতি মাসে মাসে তাকে ঢাকাতে নিয়ে চেকআপ করাতে হচ্ছে এবং ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ চলমান রয়েছে।

আগুনে দগ্ধ শিশুটির মা জানান, তার স্বামী একজন ইটভাটার শ্রমিক। সারা বছর ইটভাটার কাজ চলে না। কখনো কখনো তাকে পাখি ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতে হয়। সংসারের বোঝাতো রয়েছে তারপরেও রয়েছে মেয়ের ওষুধ কেনার চাপ। প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের কাছে ধার দেনা করে তিনি প্রায় তিন লক্ষ টাকা খরচ করে ফেলেছেন। এখনো ওষুধ চলমান রয়েছে।

আজ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা পেয়ে তিনি কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। তবে মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়ার জন্য এখনো অনেক টাকার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন আগুনে দগ্ধ শিশুটির মা। তিনি কন্যা শিশুটিকে বাঁচাতে এলাকার বিত্তবান ও আরোও সরকারি সহযোগিতার কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 gangnisongbad.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
ThemesBazar-Jowfhowo