মেহেরপুরের গাংনীতে এসএসসি পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না পেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে রামিমুদজামান টুটুল (১৭) নামের এক শিক্ষার্থী।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার মঠমুড়া ইউনিয়নের কোদালকাটি গ্রামে নিজ ঘরের সিলিং ফ্যান থেকে ওই শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনরা।
নিহত টুটুল কোদালকাটি গ্রামের মিন্টু আলীর ছেলে। সে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টুটুল এবার নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়। পর পর দুই বছর পরীক্ষায় ফেল করায় পরিবারের সদস্যরা তাকে কিছুটা বকাঝকা করে। এতে পরিবারের ওপর অভিমান করে বুধবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাতের কোনো একসময় নিজ শোবার ঘরে ফ্যানের সাথে লুঙ্গি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয় সে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে টুটুলকে ঝুলতে দেখে চিৎকার করে ওঠে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে নিচে নামানো হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, “কোদালকাটি গ্রামে এক শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ ও অন্য কোনো বিষয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।”