মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা বকুল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গ্রামের বালাইনাশক ও খুচরা সার বিক্রেতাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হয়রানির হুমকি দিয়ে অবৈধ উৎকোচের টাকা গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে। তার নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় একাধিক ব্যবসায়ীর নিকট থেকে ঘুষ নিয়ে পকেট ভারি করেছেন মর্মে একাধিক ব্যবসায়ীরা তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
গেল রোববার (০৭ মে) মেহেরপুর খামার বাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বরাবরে লিখিত অভিযোগের কপি গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছিয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন।
অভিযোগে বলা হয় গাংনী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বালাইনাশক ও খুচরা সার বিক্রেতাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হয়রানির হুমকি দিয়ে অবৈধ উৎকোচের টাকা গ্রহন করে আসছেন। তার অপকর্মের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে এমতাবস্থায় এহেন কার্যকলাপ থেকে পরিত্রাণের আশায় ঊর্ধ্বতন ও কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত আবেদন জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
গাংনী উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়ে কর্মরত উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা বকুল হোসেন বলেন, অভিযোগগুলো যাচাই করলে কোন সত্যতা মিলবে না। বালাইনাশক ও সার ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন দাখিল করলে যারা লাইসেন্স পাওয়ার উপযোগী হয় না সে সকল ব্যবসায়ীরাসহ একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে এ মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে।
এ ব্যাপারে গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন অভিযোগের কপি পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করা দেখে হচ্ছে।সত্যতার প্রমাণ পেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।