আগামীতে আল্লাহু তায়ালা এবং জনগণের দোয়া ও সমর্থনে ক্ষমতায় যেতে পারলে জনগণের আমানতের উপর কখনোই হাত দেয়া হবে না- এমন দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “আমরা জনগণের চৌকিদার হয়ে সেবা করতে চাই।”

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে মেহেরপুর শহরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মেহেরপুর জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “গত ৫৪ বছরে যারা এই দেশ শাসন করেছে, তারা প্রকৃত উন্নয়ন করতে পারেনি। বরং দুর্নীতি ও লুটপাট করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। তাই আপনারা সবাই মিলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাদের মেহেরপুর এক ও মেহেরপুর ২ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কা প্রতীকের প্রার্থী দুই ভাইকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ করে দিন।”

জনসভা শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। তেলাওয়াত করেন হাফেজ বোরহান উদ্দীন। ইসলামিক সংগীত পরিবেশন করে কানন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংসদ।
সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা রাজনৈতিক সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন মেহেরপুর জেলা সেক্রেটারি ইকবাল হুসাইন, শহীদ পরিবারের সদস্য তৌফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি আব্দুস সালাম, গাংনী উপজেলা সেক্রেটারি মাও. জাহাঙ্গীর আলম, গাংনী পৌর শাখার আমির আহসানুল হক, এবি পার্টির মেহেরপুর জেলা সভাপতি রফিকুজ্জামান, মেহেরপুর পৌর আমির সোহেল রানা ডলার, মেহেরপুর সদর উপজেলা আমির মাও. সোহেল রানা, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য সোহেল রানা, মুজিবনগর উপজেলা আমির মাও. খানজাহান আলী, গাংনী উপজেলা আমির ডা. রবিউল ইসলাম, মেহেরপুর জেলা খেলাফত মজলিস সভাপতি মাও. শাহ আলম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মেহেরপুর জেলা সভাপতি মাও. হুসাইন আহমেদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি মেহেরপুর জেলা যুগ্ম সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট মো. শাকিল আহমেদ, মেহেরপুর জেলা নায়েবে আমির মাও. মাহবুব উল আলমসহ আরও অনেকে।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী নাজমুল হুদা, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগাহ এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও অঞ্চল পরিচালক মোবারক হোসেন।
জনসভার শেষাংশে মেহেরপুর জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন। তিনিও দুই প্রার্থীকে আলাদাভাবে দাঁড়িপাল্লার মার্কা প্রতীক তাদের হাতে তুলে দিয়ে বিজয়ী করা আহবান জানান। এ জনসভায় বিভিন্ন গ্রাম থেকে জামায়াতে ইসলামী ও এর অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।