জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী আনন্দ মিছিলে হামলার মামলায় মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও মুজিবনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস (৭০) কে কারাগারে পাঠাবার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার (১০ জানুয়ারী) দুপুরের দিকে আদালতে আত্মসমর্পণ করলে জামিন নামঞ্জুর করে মেহেরপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাহিদুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠাবার নির্দেশ দেন। জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস মুজিবনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আনন্দবাস গ্রামের মৃত অকছেদ আলীর ছেলে।
জানা গেছে, মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস গ্রামে নৌকার পক্ষে বিজয়ী দলের সমর্থকরা নির্বাচনের পরের দিন মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারী) আনন্দ মিছিল বের করলে মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মুজিবনগর উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দিন বিশ্বাসকেসহ ২৫-৩০ জনকে আসামি করে আনন্দবাস গ্রামের আলীহীন মোল্লার ছেলে আলতাব হোসেন বাদী হয়ে ১৪৩/৩২৩/৩২৫/৩০৭/১১৪/৫০৬/৩৪ ধারায়
মুজিবনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ০৩/২০২৪, তারিখঃ ০৯/০১/ ২০২৪ ইং
আসামিরা হলেন- মুজিবনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনন্দবাস গ্রামের অকছেদ মোল্লার ছেলে জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস, জিয়াউদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে রাসেল উদ্দিন, আব্দুল জলিলের ছেলে জয়নাল আবেদীন, রুহুল আমিনের ছেলে মামুন, শহীদ বিশ্বাসের ছেলে রানা বিশ্বাস, আলী বিশ্বাসের ছেলে বাচ্চু, গবরা হালসানা ছেলে হাশেম, আবু বক্কর হালসানার ছেলে টনি হালসানা, চাঁদ আলীর ছেলে ওমর মেম্বার, ঘটল ভুড়ির ছেলে রিপন মেম্বার, খোরশেদ আলীর ছেলে দানা, দলিল খার ছেলে তাহাজ উদ্দিন, ছাফি কালটার ছেলে হুমায়ুন কালটা,জেহের আলী ছেলে মামুন, মনসুরাত আলীর ছেলে আনার আলী, পিয়ার আলী মন্ডলের ছেলে শফিক, আলিহিমের ছেলের নিয়ত আলী, তেঁতুলের ছেলে ছয়রুদ্দিন,ফরজ আলীর ছেলে সেলিম, জিয়াব উদ্দিনের ছেলে আরিফ, নাসিরের ছেলে রাজ্জাক, আব্দুল আওয়ালের ছেলের সাইফুল ইসলাম।
সোনাপুর গ্রামের গরীবুল্লাহ ছেলে সোহরাব হোসেন, নাজিরা কোনা গ্রামের গরীবুল্লাহ ছেলে রফিকুল ইসলাম, এবং জয়পুর গ্রামের সাকার উদ্দিনের ছেলে ইউপি সদস্য রমজান আলী।
বুধবার (১০ জানুয়ারী) দুপুরের দিকে আদালতে আত্মসমর্পণ করলে অন্যান্য আসামিদের জামিন মঞ্জুর করলেও জিয়াউদ্দিন বিশ্বাসের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠাবার নির্দেশ দেন মেহেরপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাহিদুর রহমান।