শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা
মেহেরপুরে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ, কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন গাংনীতে ঝড়ে এসএআরবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি গাংনীতে বজ্রপাতে স্কুলছাত্র নিহত, আহত ৩ মেহেরপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে হাঁসের বাচ্চা ও ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন উপকরণ বিতরণ বিশ্বকাপের উন্মাদনায় গাংনীতে ২১৮ হাত দীর্ঘ আর্জেন্টিনার পতাকা, ফুটবলপ্রেমীদের ভিড় গাংনীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রাজমিস্ত্রির মৃত্যু, রহস্য ঘিরে নানা প্রশ্ন মেহেরপুরে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল কৃষকের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মেহেরপুরে ছাত্রদলের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও পথসভা গাংনীর তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইন প্রচেষ্টা প্রতিহত, বিজিবির কঠোর অবস্থান বিশ্ব পরিবেশ দিবসে গাংনীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

গাংনীতে উৎসবমুখর পরিবেশে পিঠা উৎসব

তোফায়েল হোসেন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৮৫০ বার পঠিত

আবহমানকাল থেকে বাঙালিদের ঘরে ঘরে পিঠাপুলি খাওয়ার প্রচলন হয়ে আসছে। অন্যান্য মৌসুমে পিঠা তৈরি হলেও শীতকালেই মূলত পিঠার প্রচলন বেশি দেখা যায়। শীতে গ্রামে এবং শহরে সর্বত্র খেজুরের রস এবং বিভিন্ন পিঠাপুলি খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। গাঁয়ের প্রতিটি ঘরে ঘরে লেগে যায় পিঠা তৈরির ধুম।

গায়ের মেয়েরা নিজেদের কুশলতার পরিচয় দেয় পিঠা তৈরির মাধ্যমে। পিঠা তৈরি করে আত্মীয় -স্বজনের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রচলনও রয়েছে। তাই গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এ পিঠা। গ্রাম বাংলার মানুষের চিরচেনা এই ঐতিহ্যবাহী পিঠা আধুনিক নগর সংস্কৃতির প্রভাবে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। নানি দাদিদের তৈরি আগেকার পিঠাগুলো শুধুই স্মৃতি হয়ে থাকবে নতুন প্রজন্মের কাছে সেদিন আর দূরে নয়।

নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করতে মেহেরপুরের গাংনী সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে দ্বিতীয় বারের মতো বিদ্যালয় চত্বরে উৎসবমুখর পরিবেশে বাহারি পিঠার স্বাদ-গন্ধ নিয়ে শুরু হলো পিঠা উৎসব। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণের স্টলে স্টলে পিঠার পসরা সাজিয়ে প্রদর্শনে ব্যস্ত রয়েছে মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা।

বাহারি রঙের সঙ্গে বৈচিত্র্যময় ডিজাইন ও নকশায় অনন্য হয়ে উঠেছে এক একটি পিঠা। বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য পিঠাপুলির সঙ্গে সেলফি তুলে পিঠা খাওয়ার দৃশ্যকে স্মৃতিময় করে রাখার চেষ্টাও লক্ষণীয়। পিঠা উৎসবে নিজ নিজ শ্রেণীর নামকরণে শিক্ষার্থীদের ৮ টি স্টল স্থান পেয়েছে।

আবহমান বাংলার এ ঐতিহ্যকে দেশ ও বিশ্বের দরবারে ছড়িয়ে দিতে সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। দুপুর পর্যন্ত চলে এ পিঠা উৎসব। এ সময়ের মধ্যেই বিচারকমন্ডলী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারকারী স্টলের ঘোষণা ও পুরস্কৃত করেন।

পিঠা উৎসবে স্থান পাওয়া প্রায় দুই শতাধিক পিঠার মধ্যে অন্দোসা পিঠা, পায়েস পিঠা, হৃদয় হরন পিঠা, সরু পিঠা, মালাই পিঠা, পটল পিঠা, ডাল পিঠা, বিস্কুট পিঠা, শামুক পিঠা, গোপাল ভোগ পিঠা, ডাল পুরি পিঠা, ডিমের রোল পিঠা, কামরাঙ্গা পিঠা, দুধ পিঠা, মুঠি পিঠা, কলা পিঠা, খেজুর পিঠা, ক্ষীর কুলি, গোকুল পিঠা, গোলাপ ফুল পিঠা, পুলি পিঠা, পাতা পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান পিঠা, নারকেলের সেদ্ধ পুলি, তেলের পিঠা, চাঁদ পাকান পিঠা, ঝুরি পিঠা, ছাঁচ পিঠা, দুধ চিতই, ভাঁপা পিঠা, চিতই পিঠা,মাছ পিঠা, ঝাল পিঠা, নকশি পিঠার নাম উল্লেখযোগ্য।

বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুজ্জামান লালু এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে এ পিঠা উৎসবের
উদ্বোধন করেন গাংনী থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক।

এ সময় গাংনী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভেজ সাজ্জাদ রাজাসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী ও শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 gangnisongbad.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
ThemesBazar-Jowfhowo