মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা
গাংনীতে বিনামূল্যে গাছের চারা, জৈব সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণ গাংনীতে এতিমখানায় শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু, ছড়িয়েছে নানা গুঞ্জন মেহেরপুর জেলা যুবদলের সভাপতি পদে আলোচনায় জাহিদুল ইসলাম শামীম গাংনীতে ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গাংনীতে কসবা ব্লাড ব্যাংক জনকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে সফলভাবে সম্পন্ন হলো ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’ গাংনীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু, আহত ৩ মেহেরপুরের গাংনীতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: বাঁশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তাফহীমের গৌরবময় সাফল্য গাংনীতে ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে স্কুলছাত্রীর করুণ মৃত্যু বিনামূল্যে বীজ ও সার পেলেন গাংনীর ৫৮০০ কৃষক! গাংনীতে মোটরসাইকেল ও পাখিভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ: বৃদ্ধ নিহত, আহত ২

গাংনীতে ডাক কর্মচারীদের সমাবেশ: ২৩ হাজার পরিবারের বাঁচার দাবিতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

তোফায়েল হোসেন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪৪ বার পঠিত

​মেহেরপুরের গাংনীতে জেলা ডাক কর্মচারী ইউনিয়ন ও ইডিএ (EDA) শাখা কর্মচারী ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) সকালে গাংনী হাসপাতাল বাজার পোস্ট অফিসের সামনে বক্তারা ডাক বিভাগের দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূরীকরণ ও ইডি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
​মেহেরপুর জেলা ডাক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা’র উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুর জেলা ইডিএ (EDA) শাখা ডাক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মাসুদ বিশ্বাস।
​সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
​তরিকুল ইসলাম – তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ ডাক কর্মচারী ইউনিয়ন।
​এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা ডাক কর্মচারী ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক হুমায়ন কবির, জেলা-উপজেলা ডাক কর্মচারী সদস্য আব্বাস আলীসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ইডিএ ডাক কর্মচারীবৃন্দ।
​সমাবেশে বক্তারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভোর থেকে রাত পর্যন্ত দেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ডাকসেবা, সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রম এবং আর্থিক সেবা নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দিয়ে যাচ্ছেন তারা। রাষ্ট্রের সেবা প্রতিদিন নিশ্চিত করলেও তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের চরম অনীহা রয়েছে।
​”আশ্বাসে আর সংসার চলে না। বাংলাদেশের ডাক বিভাগের ২৩ হাজার ইডি শাখা পোস্টমাস্টার, রানার ও পিয়ন বছরের পর বছর ধরে একই দায়িত্ব পালন করেও চরম বৈষম্যের শিকার। আমরা বিলাসিতা চাই না, আমরা চাই আমাদের শ্রমের ন্যায্য মূল্য, সম্মানজনক জীবন এবং বৈষম্যমুক্ত কর্মপরিবেশ।”
​বক্তারা আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে বহু স্মারকলিপি, আবেদন এবং প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। ২৩ হাজার কর্মচারীর এই দাবি শুধু তাদের নিজেদের নয়, বরং ২৩ হাজার পরিবারের জীবন-জীবিকার লড়াই।
​কর্মচারী নেতৃবৃন্দ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের এই আন্দোলন কারও বিরুদ্ধে নয়, বরং এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং ন্যায্য অধিকারের পক্ষে। দাবি বাস্তবায়নের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত ঘোষিত কর্মসূচি রাজপথে চলমান থাকবে।
​সমাবেশের শেষভাগে কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ় থেকে শান্তিপূর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ নেন এবং তিনটি মূল স্লোগান পুনর্ব্যক্ত করেন:
১. এবারের সংগ্রাম-বৈষম্য দূরীকরণের সংগ্রাম।
২. এবারের সংগ্রাম-২৩ হাজার পরিবারের বাঁচার সংগ্রাম।
৩. এবারের সংগ্রাম-ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।
​নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অধিকার ভিক্ষা নয়-অধিকার একজন শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য প্রাপ্য।” আজ নিজেদের অধিকারের জন্য নীরব থাকলে আগামী প্রজন্ম কাউকে ক্ষমা করবে না। তারা অবিলম্বে মাননীয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দ্রুত বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণের জোর দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 gangnisongbad.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
ThemesBazar-Jowfhowo